পুষ্পক মুখার্জী: স্বপ্নের ডান্স অ্যাকাডেমি গড়ার গল্প
Raj Kumar Mukherjee - sexagenarian. A father, a husband and…
নাচকে জীবনের স্বপ্ন করে তাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন পুষ্পক মুখার্জী। তেরো চোদ্দো বছর বয়সের স্বপ্ন কে বাস্তবে রূপান্তরিত করতে দরকার নিষ্ঠা, একাগ্রতা। তার গল্প শোনালেন পুষ্পক, ‘বাটানগর ড্রিম ড্যান্স একাডেমী’র রূপকার, কর্ণধার। পুষ্পকের সঙ্গে আলাপচারিতায় ইষ্ট ইন্ডিয়া স্টোরির পক্ষ থেকে রাজ কুমার মুখার্জী।
রাজ কুমার মুখার্জী: পুষ্পক মুখার্জী, আপনার ছেলেবেলার কথা থেকে শুরু করা যাক।
পুষ্পক: ছেলেবেলার কথা বলতে গেলে স্বভাবতই আমাদের পরিবারের কথা বলতে হয়। আমাদের পরিবারে গান, বাজনা, নাটক, এসবের চল ছিল। আমাদের দেশের বাড়ি পশ্চিম বঙ্গের হুগলী জেলার কোন্নগরে। বড় জমিদার বাড়ি, ঠাকুর দলান, নাট মঞ্চ। বাড়িতে পুজো, উৎসব, বিয়ে হলে কাকারা, বাবা, জ্যেঠুরা, পিসিরা গান বাজনা করতেন নাট মঞ্চে, ঠাকুর দালানে। এসবই আমার বাবা কাকাদের কাছ থেকে শোনা।
রাজ কুমার মুখার্জী: এটা আপনাদের পরিবারের একটা ধারা বলা চলে। আপনার মধ্যে নাচের প্রতি ইন্টারেস্ট এলো কি ভাবে?
পুষ্পক: আমাদের বাড়ি কলকাতার কাছে বাটানগরে। খুব ছোট বয়সে আমি আঁকার ক্লাসে ভর্তি হয়েছিলাম, তারপর বেশ কিছু দিন তবলা বাজানো শিখি। আমার বোন তখন নাচের মাস্টার মশাই কল্যাণ দাশগুপ্তের কাছে নাচ শেখে। উনি বাড়িতে এসে নাচ শেখাতেন, আমি দেখতাম। একদিন বললেন, এই নাচটা করে দেখা। করে দেখালাম, সেই শুরু। আমি আর আমার ছোট বোন একসাথে অনেক জায়গায় নাচ করেছি। তখন আমার বয়স বড়জোর ১৩ অথবা ১৪।
রাজ কুমার মুখার্জী: আপনি কলকাতার এক স্বনামধন্য ইন্সটিটিউট থেকে নাচ শিখেছেন, সেই যোগাযোগটা কিভাবে?
পুষ্পক: ১৯৯৫ সালে আনন্দবাজার পত্রিকায় একটা বিজ্ঞাপন বেরিয়েছিল। ‘আনন্দ শংকর সেন্টার ফর পারফর্মিং আর্ট’এ কিছু পুরুষ নৃত্যশিল্পী নেওয়া হবে। আমার পাশের বাড়ির এক কাকু আমাকে সঙ্গে করে কলকাতায় অডিশন দিতে নিয়ে আসেন। প্রচুর ছেলে অডিশন দিতে এসেছিল। সেদিন আনন্দ শংকর নিজে অডিশন নিচ্ছিলেন। একজন সিনিয়র স্টুডেন্ট একটা মুভমেন্ট দেখিয়ে বলেছিল একচান্সে সেটা করতে। করে দেখালাম। আনন্দ শংকর, আমার কাকু কে বলেছিলেন ওকে বাটার বাইরে বের করুন। ভালো কোন নাচের স্কুলে দিন, ও পারবে। আমার কাকু বলেছিলেন যদি আপনার এখানে ভর্তি করাই। সেই আমার ভর্তি হওয়া। আমার জীবনের একটা বড় টার্নিং পয়েন্ট।
রাজ কুমার মুখার্জী: আনন্দ শংকরের কাছে আপনি কতদিন শেখেছেন?
পুষ্পক: আমাদের কোর্সটা ছ’বছরের। তিন বছর পরে ৮০℅ নম্বর নিয়ে পাশ করলে আ্যডভান্স কোর্স করার সুযোগ দেওয়া হয়, সেটা আরও তিন বছর। আ্যডভান্স কোর্সে লাইট, ডিরেকশন, ব্যাক স্টেজ, আ্যরেঞ্জমেন্ট, মানে একজন কোরিওগ্রাফার হতে গেলে যা যা জানা প্রয়োজন, সব শেখানো হয়। ১৯৯৫ সালে আনন্দ শংকরের কাছে ভর্তি হই, ১৯৯৮ সালে ৮০% নম্বর নিয়ে পাশ করে আ্যডভান্স কোর্সে ভর্তি হই। ১৯৯৮ সালে আনন্দ শংকর তনুশ্রী শংকর ব্যালে গ্রুপে আমায় প্রফেশনাল ড্যান্সার করে নেওয়া হয়। ২০০১ সালে আ্যডভান্স কোর্স শেষ করি। ১৯৯৮ থেকে ২০১৩ আমার একটা লম্বা জার্নি উইথ তনুশ্রী শংকর ব্যালে ড্যান্স ট্রুপ। সেই সময় আমি ওখানে ড্যান্স টিচার ছিলাম।
রাজ কুমার মুখার্জী: আপনি বললেন আপনার পরিবারে গান বাজনা করতেন প্রায় সবাই, সেই জন্য কি এই প্রফেশনে আসতে কোন অসুবিধা হয় নি?
পুষ্পক: হ্যাঁ, সেটা হয় নি। আমিও কখনো ভাবি নি নাচ কে আমার প্রফেশন করব। সবার জীবনে একটা ওঠা পড়া থাকে। আমার পারিবারিক জীবনে তখন একটা টার্ম অয়েল চলছে, বাবা খুব অসুস্থ। সেই সময় আমার খুব কাছের বন্ধুরা, প্রতিবেশী, আত্মীয় আমাদের পাশে এসে দাঁড়ান, তাই হয়তো আজও নাচ কে সঙ্গী করে চলতে পারছি। আসলে নাচ আমার প্যাশন। আমার প্যাশন আমার প্রফেশন, আমার ভালো লাগার জায়গা।
রাজ কুমার মুখার্জী: প্রায় পনেরো বছর তনুশ্রী শংকর ব্যালে গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত। কোথায় কোথায় শো করেছেন?
পুষ্পক: ১৯৯৫ সালে ভর্তি হওয়া। ১৯৯৬ সালে কলকাতায় ইডেন গার্ডেন্সে উইল্স ওয়ার্ল্ড কাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রথম বড় প্ল্যাটফর্ম। সেদিন ১৫০০ জনের সাথে নাচ। দেশ বিদেশের বহু শহরে পারফর্ম করেছি। এরমধ্যে দুটির কথা বলি। ২০০৮ সাল, আমি তখন তনুশ্রী শংকর ব্যালে গ্রুপের টিচার, সঞ্জয় লীলা বনশালির সঙ্গে আমরা দেড় মাস প্যারিস ও ইটালি তে মোট আটটি শো করি। ২০১৩ সালে ম্যানচেস্টার মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি অন কনটেম্পোরারি ড্যান্স থেকে ফুল স্কলারশিপ পাই। ওখানে দুমাসের একটা ওয়ার্কশপ করি।
রাজ কুমার মুখার্জী: আপনার নিজের একাডেমী, বাটানগর ড্রিম ড্যান্স একাডেমী, শুরু কি ভাবে?
পুষ্পক: প্রথম নাম ছিল ড্রিম মডার্ন কালচারাল সেন্টার।একদম শুরুর ঘটনা, তখন হয়তো আমার কাছে চারজন বাচ্চা। একজন তিন বছর, একজন ছ’বছর, একজন আট বছর, একজন বারো বছরের স্টুডেন্ট।একদম একটা ছোট্ট স্কুল করার ভাবনা। এইরকম স্টুডেন্ট নিয়ে আমি পাজল্ড। ১৯৯৮ সালে আমার স্কুলের প্রথম বার্ষিক অনুষ্ঠান। বাড়ির পাশের মাঠে ত্রিপল পেতে কিছু গান, কিছু নাচ, এইভাবে অনুষ্ঠান শুরু। তারপরের বছর একটু বড় করে, একটা ছোট্ট হল ভাড়া করে। আর এ বছর ১৭ই মে আমাদের বাৎসরিক অনুষ্ঠান হয়ে গেল। এবারে আমাদের পার্টিসিপেন্ট ছিল ১৮৫ জন।

রাজ কুমার মুখার্জী: আপনার একাডেমী এখন বেশ পরিচিত।
পুষ্পক: দেখুন, এটা আপনাদের, দর্শকদের ভালোবাসা, আশীর্বাদ। দর্শক না থাকলে শিল্পীদের অস্তিত্ব কোথায়? আমরা প্রথম থেকেই বাচ্চাদের কম্পিটিশন, যোগা ফেস্টিভ্যাল, সোশ্যাল ওয়ার্ক ইত্যাদি অর্গানাইজ করতাম, সেখান থেকে আমাদের সবাই জানলো। ২০১৭ সালে রেজিস্ট্রেশন করার সময় নাম বদলে রাখা হল ‘বাটানগর ড্রিম ড্যান্স একাডেমী’। আমরা NGOর কাজও করি।
রাজ কুমার মুখার্জী: NGO র কথা বললেন, কি ধরনের কাজ করেন?
পুষ্পক: আমরা চাইল্ড এবং কালচার নিয়ে কাজ করি। প্রধানত দক্ষিণ ২৪ পরগনা, সেন্ট্রাল কলকাতা। এখানে বাচ্চাদের কালচারাল ডেভেলপমেন্ট করার চেষ্টা করি।
রাজ কুমার মুখার্জী: বাচ্চাদের কালচার ব্যাপারে যদি একটু বলেন। এখন তো অনেক NGO আছে যারা পথশিশুদের পড়ায়। আপনার কি সেই রকম কিছু করেন না কি নামি দামী স্কুলের বাচ্চাদের নিয়ে ওয়ার্কশপ?
পুষ্পক: না না একদমই না। আমরা প্রায় ২৫০ জন পথ শিশুদের দুর্গাপুজোর আগে জামা কাপড় দিয়ে আসছি। এছাড়া রিমোট এরিয়ায় বাচ্চাদের নিয়ে গান, নাচ এসবের দুতিন দিনের ওয়ার্কশপ করানো, বাবা মায়েদের বোঝানো — এইসব।
রাজ কুমার মুখার্জী: এক্ষেত্রে ফান্ডিং এর একটা প্রশ্ন থাকে।
পুষ্পক: আমরা কোন অনুদান পাই না। আমরা নিজেরা এবং আমাদের কয়েকজন শুভানুধ্যায়ীদের কাছ থেকে ফান্ডিং টা জোগাড় করি। আপনাদের মাধ্যমে আমরা সবাই কে অনুরোধ করবো, এগিয়ে আসতে, এই বাচ্চাদের পাশে দাঁড়াতে।
রাজ কুমার মুখার্জী: মণিপুরী, কত্থক, ওডিসি ধ্রুপদী নাচ ছেড়ে মর্ডান ড্যান্স, সেখান থেকে ব্যালে। ব্যালে বললেই আমাদের মনে পড়ে রাশিয়ান ব্যালের কথা।
পুষ্পক: মানুষের একটা ভুল কন্সেপ্ট। একটু ক্লিয়ার করে বলি ব্যালে কথাটার মানে স্টোরি। রাশিয়ান বা আমেরিকান ব্যালে ওদেশের ক্লাসিক্যাল ড্যান্স। তনুশ্রী শংকর ব্যালে ট্রুপ বা মমতা শংকর ব্যালে ট্রুপ, এগুলো উদয় শংকর ঘরানা বা স্টাইল। উদয় শংকর স্টাইল নিয়ে একটু পড়াশোনা করলে বুঝতে পারবেন এর ভিন্নতা কোথায়, এই স্টাইলের একটা ব্যাকরণ আছে। আমার নাচ শুরু হয়েছে সম্পূর্ণ নতুন একটা সৃজনশীল নৃত্যের হাত ধরে, উদয় শংকর স্টাইল। এই স্টাইলের মাধ্যমে আমি নিজের ক্রিয়েটিভিটি কে তুলে ধরতে পারি।
রাজ কুমার মুখার্জী: ড্যান্স এবং কোরিওগ্রাফি, এই দুয়ের মধ্যে বেসিক ডিফারেন্স আপনি কি দেখেন?
পুষ্পক: কোরিওগ্রাফি কথার মানে বিন্যাস। যখন একজন একটা নাচ করছেন, সেটা ড্যান্স। যদি সেই নাচ টা একসাথে দশজন কে দিয়ে করানো হয়, সেটা কোরিওগ্রাফি। যখন দশজন কে নিয়ে ওই নাচ টা করাচ্ছি, কখনও ডায়গোনাল লাইন, কখনও সার্কেল বানাচ্ছি – দিস ইজ কোরিওগ্রাফ।
রাজ কুমার মুখার্জী: এখন কোরিওগ্রাফ মানে ডিগবাজি খাওয়া, শূন্যে ভল্ট, সার্কাসের খেলা দেখার মতন।
পুষ্পক: কথা হচ্ছে দর্শক কি চায় তার উপর সবকিছু নির্ভরশীল। একটা গানের সঙ্গে নাচ হচ্ছে। যদি গান টা খুব লাউড হয়, নাচ টা দেখতে ভালো লাগবে না। আবার নাচ যদি গান কে ছাপিয়ে চলে যায়, সেটাও ঠিক নয়। একজন কোরিওগ্রাফার এই দুয়ের সমন্বয় ঘটাবেন। গানের প্রয়োজনে যদি জিমন্যাস্টিকস দেখাতে হয়, দেখাবেন। তাই বলে সব গানেই জিমন্যাস্টিকস দেখানো…… ঠিক না। নাচ যদি দৃষ্টি নন্দন না হয়, সেটা নাচ নয়, অন্য কিছু। এসব আমার নিজস্ব মতামত।
রাজ কুমার মুখার্জী: এখন মোবাইলে ইনস্টাগ্রাম, রীলস্ এসবের যুগ। সেখানে আপনি ড্যান্স কে কি ভাবে দেখছেন?
পুষ্পক: দুঃখের কথা কি জানেন, পশ্চিমবঙ্গে নাচ কে আমরা এখনও ব্রাত্য করে রেখেছি। গান মর্যাদা পায়, নাচ পায় না। আপনার মেয়ে আই টি প্রফেশনাল, মাঝরাতে গাড়ি এসে বাড়িতে নামিয়ে দিয়ে যায়, নো প্রবলেম। এবার আমার মেয়ে নৃত্যশিল্পী, প্রফেশানাল।রাত দশটায় প্রোগ্রাম শেষ করে দুশো কিলোমিটার দূর থেকে বাড়ি ফিরতে রাত দুটো। পাড়া, প্রতিবেশী, আত্মীয় সবাই অন্য চোখে দেখি। ২০২৫ সালে দাঁড়িয়ে আমরা আজও আধুনিক হতে পারলাম না। মঞ্চ একজন শিল্পীর বক্তব্য রাখার জায়গা। নাটকের মাধ্যমে জনগণের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া যায়। এই জন্যই পথ নাটিকা।

আপনি আমার প্রেপ সেকশনটা দেখুন। ক্লাস ওয়ানের বাচ্ছা জনা চল্লিশ। আমি হলফ করে বলতে পারি ক্লাস ফাইভ থেকে এরা এক এক করে নাচ ছেড়ে দেবে। এদের সমস্যা নেই, সমস্যা অভিভাবকদের। উচ্চ মাধ্যমিকের সময় হয়তো চারজন থাকবে। আপনি এই চারজনের সঙ্গে কথা বলুন আর বাকিদের সঙ্গে কথা বলুন, মানসিকতার তফাৎ বুঝতে পারবেন। এই চারজনের কালচার, মন, স্বভাব অন্য সকলের থেকে উন্নত। আমি মনে করি কালচারাল মাইন্ডেড হওয়া দরকার। আপনার পাড়ায় রবীন্দ্র জয়ন্তী হচ্ছে, দেখতে আসে বিশ জন। পাড়ায় থাকেন দু হাজার। বাকি সবাই সিরিয়াল দেখছে, রীলস দেখছে। মোদ্দা কথা টা হল সাংস্কৃতিক মনস্ক মানুষ কুড়ি জন। এটা সবার ভাবার বিষয়।
রাজ কুমার মুখার্জী: বর্তমান প্রজন্মের কাছে কি মেসেজ দিতে চান?
পুষ্পক: শুধুমাত্র বর্তমান প্রজন্ম নয়, আমি অভিভাবকদেরও বলছি। পড়াশোনা নিশ্চয়ই করবে, সেই সঙ্গে খেলাধুলা, গান, যোগব্যায়াম, নাচ – কিছু একটা করা খুব দরকার। এতে শরীর ভালো থাকে, মনের বিকাশ ঘটে। এখন তো সব স্কুলে এক্সট্রা ক্যারিক্যুলার আ্যকটিভিটির উপর জোর দেওয়া হচ্ছে, আগে এত ছিল না।
রাজ কুমার মুখার্জী: ‘বাটানগর ড্রিম ড্যান্স একাডেমী’, বাটানগরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে? অন্য কোন ভাবনা?
পুষ্পক: একাডেমী আমার সন্তানের মত। আমি এবং আমার কাছের মানুষ জন একে সন্তান স্নেহে লালন পালন করি। আমরা বাটানগর ছাড়িয়ে মহেশতলা, কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, আরও অনেক জায়গায় প্রোগ্রাম করি। দীনেশ পোদ্দারের মতন ব্যক্তিত্ব আমাদের আলোকসম্পাতে থাকেন। পশ্চিমবঙ্গ তথ্য কেন্দ্রে এমপ্যানেল্ড। আই সি সি আর আমাদের অনুষ্ঠানের জন্য ডাকেন। আমি নিজে একটু ধীরে চলায় বিশ্বাস করি, দেখেশুনে পা ফেলতে চাই। আপনাদের এবং দর্শকদের সহযোগিতা, ভালোবাসা থাকলে আরও এগিয়ে যাবো।
রাজ কুমার মুখার্জী: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ‘ইস্ট ইন্ডিয়া স্টোরি’র পক্ষ থেকে আপনাকে এবং আপনার একাডেমীর সকল কে শুভেচ্ছা জানাই।
পুষ্পক: আপনাকে এবং ইস্ট ইন্ডিয়া স্টোরি কে আমার এবং একাডেমীর তরফ থেকে ধন্যবাদ জানাই। ভালো থাকবেন।
What's Your Reaction?
Raj Kumar Mukherjee - sexagenarian. A father, a husband and a son, who has finally let go of excelsheets and PowerPoints and picked up a pen instead. A child at heart, he reminisces his childhood days and wishes that the world was a better place for all of us. An avid reader and storyteller at heart, he is spending his retirement by reading books, experimental cooking (mostly failures!) and writing.
